ধারা-৪৫।বিশেষজ্ঞের অভিমত/তৃতীয় পক্ষের অভিমত/ বিশেষজ্ঞ/বিশারদের মতামত:
সহজ ভাষায়:
আদালতকে যখন বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক সাক্ষ্য, ডিজিটাল রেকর্ড, চারুকলা, হস্তাক্ষর, আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের আইরিশের ছাপ, টাইপরাইটিং, বাণিজ্যে ব্যবহার বা কারিগরি পরিভাষা, ব্যক্তি বা প্রাণী সনাক্তকরণ প্রশ্নে বা আদালতের কোন বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন আদালত উক্ত বিষয়সমূহে যারা অভিজ্ঞ তাদের অভিমত গ্রহণ করে থাকেন। এই অভিমতকে বিশেষজ্ঞের অভিমত বলা হয়। যা আদালতে প্রাসঙ্গিক। যে সকল ব্যক্তি উক্ত অভিমত বা মতামত প্রদান করেন তাদেরকে বিশেষজ্ঞ বলা হয়।
নোট:
- এই ধারায় বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিগণ ১৩ টি বিষয়ের উপর অভিমত প্রকাশ করে থাকেন।
- বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হলো, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আদালতকে সাহায্য করা। অন্যান্য সাক্ষ্য দ্বারা সমর্থিত না হলে বিশেষজ্ঞের সাক্ষ্য আদালত গ্রহণ নাও করতে পারেন।
উদাহরণ:
প্রশ্ন হচ্ছে, বিষক্রিয়ার ফলে ‘করিম’ এর মৃত্যু হয়েছে কিনা। যে বিষক্রিয়ার ফলে ‘করিম’ এর মৃত্যু হয়েছে মনে করা হচ্ছে সেই বিষক্রিয়ার ফলে যে লক্ষণ দেখা দেয়, এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞের অভিমত আদালতে প্রাসঙ্গিক।
Join the conversation